ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা ধর্মের প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব নিয়ে কেউ জন্মায় না। মানুষ এগুলো শেখে পরিবার-সমাজ-বিদ্যালয় থেকেই। শিক্ষাব্যবস্থার ক্ষমতা আছে এ জায়গাটিতে কাজ করার। কিছুকাল আগেও আমাদের পাঠ্যপুস্তকে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনাচারের নানা বিষয় যেভাবে ছিল, তা অনেক ক্ষেত্রে ইতিবাচক ছিল না। পরিবর্তিত পাঠ্যপুস্তকে সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে যাতে আদিবাসীদের প্রতি ভুল ধারণার জন্ম না দেয়। অপর ধর্ম এবং অপর ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জন্মানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে কিছু বক্তব্য বা সুনির্দিষ্ট অধ্যায় রাখা যেতে পারে। শিক্ষকরা যাতে দরদ সহকারে তাদের শিক্ষার্থীদের অসাম্প্রদায়িক হিসেবে গড়ে তুলেন, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনভাবে অসাম্প্রদায়িক চেতনার সঞ্চার ঘটানো যেতে পারে। এখন ধর্ম বিষয়ের সঙ্গে নৈতিকতাকে যুক্ত করা হয়েছে। অসাম্প্রদায়িকভাবে শিশুদের গড়ে তোলা তো নৈতিক শিক্ষারই একটি অংশ।